বিজ্ঞপ্তি:
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম
আক্রান্ত

১,৭১৫,৯৯৭

সুস্থ

১,৫৫৮,৯৫৪

মৃত্যু

২৮,২৫৬

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
সামাজিক দুরত্ব, নেই যার গুরুত্ব

সামাজিক দুরত্ব, নেই যার গুরুত্ব

সনজয় কুমার রায়; পিরোজপুর প্রতিনিধি:  সারাবিশ্ব করোনা নামক এক অনুজীবের খপ্পরে পরে নাস্তানাবুদ। পৃথিবীটাই কেমন যেনো নিঃসঙ্গ হয়ে গেছে। বাংলাদেশও এই করোনার থাবায় ক্ষত-বিক্ষত। সব মানুষের মধ্যে মৃত্যুর আতংক বিরাজ করছে। কেউ প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে পারছেনা।
এই মহামারি থেকে পরিত্রাণের প্রধান উপায় হলো যেনো কেউ সংক্রমিত না হয়। আর সংক্রমিত না হওয়ার অন্যতম প্রধান উপায় হলো সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলা। সামাজিক দুরত্ব বলতে বর্তমান পরিস্থিতিতে বোঝায় একব্যক্তি অন্যব্যক্তি থেকে কমপক্ষে তিনফুট দুরত্বে অবস্থান করবেন। কেউ কারো কাছাকাছি যাবেনা, করমর্দন করবেনা, কোলাকুলি করবেনা ইত্যাদি, ইত্যাদি। ইদানিং মানুষের আত্মীয়তার সম্পর্কগুলোয় কেমন যেনো ঝিমিয়ে গেছে। কারও সাখে কারও দেখা সাক্ষাত হয়না, মাঝে মাঝে মোবাইল ফোনে কথা হয়। কেউ কারো বাড়ি বেড়াতে যায়না। সবার মধ্যে সন্দেহ! কে করোনা ভাইরাসের জীবাণু বহন করছে, তা কেউই বলতে পারেনা।
তবে, বর্তমান পরিস্থিতি দেখলে মনে হয় এ দেশে করোনা বলতে কিছুই নেই! নিছক গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়। বিশেষ করে উঠতি বয়সী ছেলেপুলেরা। যাদের জন্য সরকার মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যাতে তারা কোনোভাবেই সংক্রমিত না হয়। কারণ, ওরাই জাতির ভবিষ্যৎ। আসলে সরকার তাদের কথা ভাবলেও, তাদের এ ব্যাপারে কোনো মাথাব্যথা নেই। তারা ইচ্ছেমত বাহিরের নির্বিঘ্নে ঘোরাফেরা করছে। বন্ধুরা মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আড্ডা দিচ্ছে। বাবা মাও তাদের সন্তানদের ঘরে রাখতে পারছেন না।
রাস্তায় বের হলে হাঁটার মত ফাঁক খুঁজে পাওয়া যায়না। শুধু মানুষ আর মানুষ! খেটে খাওয়া মানষের চেয়ে খাটিয়ে খাওয়া মানুষের ভিড় অনেক বেশি। চায়ের দোকানে এক কাপে হাজারো মানুষের চা পান। একই সিগারেট পাঁচ বন্ধু মিলে আয়েশ করে খাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কারও মনে কোনো প্রকার উদ্বেগটুকু নেই। উল্টো গলাবাজি করা। কেউ একটু সরে দাঁড়াতে বললে খুব মাইন্ড করে।
বিপণীবিতানগুলোতে করোনা পরিস্থিতির আগের চেয়েও বেশি ভিড়। সামাজিক দুরত্বের কোনও বালাই নেই। একজন আর কজেনের গা ঘেসে দরাদরি করছে। কাপড়চোপড় নাড়াচাড়া করছে। একই জিনিস দশজনে ধরছে। কারো মনে কোনও প্রকার আশংকা নেই। যে কেই যে কোনও সময়ে যে কারও দ্বারা এই মরনঘাতী করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে, সে ব্যপারে কারও খেয়াল নেই। সবাই ঈদ নিয়ে ব্যস্ত, নতুন কালেকশন নিয়ে ব্যস্ত। ওদিকে যে নিজের জীবনটাই ছেড়ে যাবার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠেছে, সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই।
শুধু মুখে এবং কাগজে-কলমেই সামাজিক দুরত্বের প্রয়োগ। বাস্তবে এর কিছুই নেই। অনেক শিক্ষিত ও পদস্থ কর্মকর্তারাও সামাজিক দুরত্বের তোয়াক্কা করছেন না। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কেমন যেনো নির্বিকার। অনেকেই মাস্ক পড়েননা। আবার অনেকে মাস্ক পড়লেও তা থুতুনিতে আটকে রাখেন!
করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার যে মাধ্যমগুলো তা যদি সঠিকভাবে মেনে চলা হয়, স্বাস্থবিধি অনুসরণ করে যদি জীবন যাপন করা হয় তাহলে এই মহামারি থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি। এর জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা এবং স্বাস্থবিধি মেনে চলা।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

banner728x90

banner728x90




১৯৬১ সালের স্বেচ্ছামূলক সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ নম্বর ৪৬ এর ৪ (৩) ধারার অধীনে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রুরাল ইনহ্যন্সমেন্ট অর্গানাইজেশন( রিও) নিবন্ধন নং -সসেঅদ/ পটুয়া/ ৬৬৩ এর উন্নয়ন প্রকাশনা
কারিগরি সহায়তা: Next Tech