বিজ্ঞপ্তি:
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম:
গলাচিপায় পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহে প্লাষ্টিকের বেঞ্চ বিতরণ গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা লেবুখালী সেতুটি শহীদ আলাউদ্দিন সেতু নাম করনের দাবীতে কলাপাড়ায় মানববন্ধন ও সমাবেশ।। গলাচিপায় স্কুলের মাঠে গরুর হাট কলাপাড়ায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি’র দুইদিন ব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের দ্বার খুলছে কাল, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীরা কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ । করোনার সংকটময় মুহূর্তে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে “কলাপাড়া উপজেলা সমিতি,ঢাকা পিরোজপুরে নতুন এসপি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাইদুর রহমান পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার নগদ অর্থ পেলে ৬৭৫ টি পরিবার
আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
থামছে না কঙ্কাল চুরি, নেপথ্যে কি কাজ করে?

থামছে না কঙ্কাল চুরি, নেপথ্যে কি কাজ করে?

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ জেলায় নিয়মিত বিরতিতে ঘটছে কঙ্কাল চুরির ঘটনা। গেল এক বছরে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ২০ টির বেশী কবর খুড়ে মরদেহ নিয়ে গেছে চোরেরা। এসব ঘটনায় এই এক বছরে সিন্ডিকেটের মাত্র একজনকে গ্রেফতার করা গেলে অন্যরা থেকে গেছে অধরা। ফলে থেমে নেই কঙ্কাল চুরিও।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গেল ১৭ জুন রাতে ময়মনসিংহ নগরীর কেওয়াটখালী জামে মসজিদের গোরস্তানে চুরির ঘটনা ঘটে। যেখানে তিনটি কবর থেকে কঙ্কাল নিয়ে গেছে চোরেরা। এছাড়া ২০২০ সালের অক্টোবরে ত্রিশালের ভাটিপাড়া গ্রাম থেকে ৮টি, মার্চে ফুলপুরের তারাপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে ১০টি, অক্টোবরে পাগলা থানার টেকপাড়া গ্রামে, ২০১৮ সালে গৌরীপুর উপজেলার ভাঙ্গনামারি গ্রামে এবং ২০১৭ সালে ময়মনসিংহ সদরের খাগডহরে ও হালুয়াঘাট উপজেলার দড়িনগুয়া গ্রামে কবর থেকে একাধিক কঙ্কাল চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ময়মনসিংহের বিভিন্ন গ্রামের কবর থেকে বিভিন্ন সময় লাশ চুরির ঘটনা ঘটলেও এগুলো উদ্ঘাটন এবং জড়িদের শনাক্তে পুলিশের তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা, এসব চুরির সঙ্গে কঙ্কাল পাচারকারী চক্রের যোগসাজশ রয়েছে।

অবশ্য সেই যোগসাজশের প্রমাণ মেলে গত বছরের ৯ ডিসেম্বর চক্রের অন্যতম হোতা মো. বাপ্পীকে গ্রেফতারের পরই। নগরীর আর.কে মিশন রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তার কাছে পাওয়া যায় মানুষের ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড়গোড়। একইসাথে তরল কেমিক্যালসহ গুড়া কেমিক্যাল মেলে তার কাছে। কবর থেকে কঙ্কাল চুরির পর কেমিক্যাল বা দ্রুত পচনে সাহায্যকারী পদার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে কঙ্কাল পাচারকারীর চক্রের হাতে দিতেন তিনি।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তখন জানা গিয়েছিল চাঞ্চল্যকর বিভিন্ন তথ্য। বিভিন্ন ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে জানাজায় অংশ নিতেন এবং কবরস্থান থেকে লাশ চুরি করে চোর চক্র । তাদের এই চক্র কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে পুরো কাজ সম্পাদন করত। তবে একেক দলের কাজ একেক রকম। লাশ চুরি, রাসায়নিক ব্যবহার, প্রক্রিয়াজাতকরণ, কঙ্কাল আনা নেওয়া, সরবরাহ করা ইত্যাদি। এসব একেকটি কাজ একেকজন করতেন বলে বাপ্পী পুলিশকে তথ্য দিয়েছিলেন। সেই সাথে বাপ্পীর ই-মেইল আইডি ঘেঁটে ভারত ও নেপালের কঙ্কাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তার যোগসূত্র পায় পুলিশ।

স্থানীয় অনেকের ধারণা, চুরি হওয়া কঙ্কাল বিদেশে পাঁচার ছাড়াও মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকায় বিক্রি করা হয়। এক চিকিৎসকের কাছে কথা বলে এমন ইঙ্গিতও মিলেছে। জানা গেছে, একজন মেডিকেল শিক্ষার্থীকে প্রথম বর্ষেই অধ্যয়নের সুবিধার জন্যে ব্যক্তিগতভাবে কঙ্কাল কিনতে হয়। প্রতিটির দাম পড়ে অন্তত ৩০ হাজার টাকা। যদিও তারা এসব কঙ্কাল কিনে নেন সিনিয়র ভাইদের কাছ থেকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে বাইরে থেকেও এসব কঙ্কাল কেনা হয়।

তবে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকা বেওয়ারিশ মরদেহ অ্যানাটমি অধ্যয়নের কাজে ব্যবহার করেন শিক্ষার্থীরা। চুরি করা কঙ্কাল তাদের কিনতে হয় না। যদিও পুলিশও এ ব্যাপারটি এখনো উদঘাটন করতে পারেনি।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. চিত্তরঞ্জন দেবনাথ বলেন, পড়াশোনার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের কঙ্কালের প্রয়োজন হয়। সেজন্য হাসপাতালের মর্গে যেসব লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে পড়ে থাকে সেগুলোকে আমরা নিয়ে আসি। সেগুলোই পরে প্রসেসিং করে শিক্ষার্থীদের দেয়া হয়।

কঙ্কাল চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহা. আহমার উজ্জামান বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের নজরদারি রয়েছে। এ নিয়ে কাজও করছি আমরা। সাম্প্রতিক সময়ে একজনকে গ্রেফতারের পর কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছি। সেগুলোও খতিয়ে দেখছি। সেইসাথে চক্রের অন্যদের গ্রেফতারে আমাদের চেষ্টা চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

banner728x90

banner728x90




১৯৬১ সালের স্বেচ্ছামূলক সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ নম্বর ৪৬ এর ৪ (৩) ধারার অধীনে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রুরাল ইনহ্যন্সমেন্ট অর্গানাইজেশন( রিও) নিবন্ধন নং -সসেঅদ/ পটুয়া/ ৬৬৩ এর উন্নয়ন প্রকাশনা
কারিগরি সহায়তা: Next Tech