বিজ্ঞপ্তি:
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম:
গলাচিপায় পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহে প্লাষ্টিকের বেঞ্চ বিতরণ গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা লেবুখালী সেতুটি শহীদ আলাউদ্দিন সেতু নাম করনের দাবীতে কলাপাড়ায় মানববন্ধন ও সমাবেশ।। গলাচিপায় স্কুলের মাঠে গরুর হাট কলাপাড়ায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি’র দুইদিন ব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের দ্বার খুলছে কাল, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীরা কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ । করোনার সংকটময় মুহূর্তে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে “কলাপাড়া উপজেলা সমিতি,ঢাকা পিরোজপুরে নতুন এসপি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাইদুর রহমান পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার নগদ অর্থ পেলে ৬৭৫ টি পরিবার
আক্রান্ত

১,৫৪৫,৮০০

সুস্থ

১,৫০৪,৭০৯

মৃত্যু

২৭,২৭৭

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
কার্যকর উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা

কার্যকর উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা

ফাহাদ আবদুল্লাহ:

একটি জাতির পরিচয় পাওয়া যায় তার উচ্চশিক্ষিত জনগণের মাধ্যমে। যারা দেশের ও জাতির প্রতিনিধিত্ব করে। এরাই দেশকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিত জনগণের সংখ্যা বেশ কম। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যেরকম কার্যকরী উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের দেশের থাকা উচিত ছিলো সেই লক্ষ্যে আমরা এখনো পৌছুতে পারিনি। আমাদের দেশের নীতিনির্ধারকদের ব্যর্থতা এখানে প্রকট। অথচ তারা ইচ্ছে করলেই একটি কার্যকরী উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেন। আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা একেবারেই অকার্যকর তেমনটাও নয়৷ নানা প্রতিকুলতার পরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশ ভালোই উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হচ্ছে আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষিত বেকার হিসেবে গড়ে তুলছে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে কিছু আলোকপাত করবো। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের কোনো শর্টকার পদ্ধতি নেই। বেশ দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যান নিয়ে আস্তে আস্তে ধাপে ধাপে এগুতে হবে৷ নচেৎ পুরো প্ল্যানটাই ভেস্তে যেতে বাধ্য। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে “উচ্চশিক্ষা গুণগতমান বৃদ্ধি প্রকল্প” (Higher Education Quality Enhancement Project)-এর আওতায় সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উত্কর্ষ, কার্যকরী এবং জ্ঞানসমৃদ্ধ অধ্যয়ন ও গবেষণা কার্যক্রম ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ শুরু করেছে যা ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পের মাধ্যমে খুব কমই লাভ হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যে সমস্ত কৌশল বর্তমান সরকারের আমলে গ্রহণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে দেশে গুণগত মানসম্পন্ন চাকরি-প্রার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু এই ব্যাপারে সফলতার হার খুবই কম। এ প্রকল্পের মাধ্যমে যে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে যে ধরনের গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার প্রয়াস সরকার গ্রহণ করেছেন, থাইল্যান্ডে তা নব্বইয়ের দশকে শুরু হয়েছিল। শিক্ষার মান উন্নতকরণে আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহ অত্যন্ত পারঙ্গমতার পরিচয় দিয়েছে। মালয়েশিয়ায় শিক্ষার মান সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়েছে। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর এখন এশিয়ার মধ্যে একনম্বর র্যাংকিং-এর অধিকারী। থাইল্যান্ডের ইন্টারন্যাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্সের জন্যে অফিস অফ দ্যা হায়ার এডুকেশন কমিশন (OHEC) দেখে থাকে। অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে থাইল্যান্ডে অফিস ফর ন্যাশনাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড কোয়ালিটি এসেসমেন্ট (ONESQA)-এর মাধ্যমে বহিঃস্থ শিক্ষার মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা নিরপেক্ষভাবে করার জন্যে সরকারিভাবে ব্যবস্থা করা হয়। শিক্ষা ব্যবস্থায় থাইল্যান্ডে আমূল পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে। তারপরও প্রতিদ্বন্দ্বী দেশসমূহ বসে নেই। তারাও ক্রমবিকাশমান হারে গুণগত মান বৃদ্ধিকল্পে নিয়মিতভাবে শিক্ষায় নিরীক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন করছে। পাশাপাশি গুণগত মানসম্পন্ন গবেষণার উপর গুরুত্ব দিচ্ছে যেমন প্রকাশিত জার্নাল স্কুপস বা ঐ ধরনের মানসম্পন্ন ইনডেক্সিং হতে হবে। আবার তারা কাঠামোগত সংস্কার বিশেষত পড়াশোনার মান উন্নয়নের পাশাপাশি ভৌত অবকাঠামো বিনির্মাণে সচেষ্ট রয়েছে। শিক্ষা যাতে কেবল কোচিং সেন্টারের মত না হয়ে বাস্তবতার নিরিখে উন্নত মানসম্পন্ন হয় সে ব্যাপারে তারা বদ্ধ পরিকর। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভৌত অবকাঠামো ও লজিস্টিক সাপোর্ট উন্নত হতে হবে। থাইল্যাণ্ডে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৩০% বার্ষিক। এজন্যে তারা এখন কেবল তাদের নিজেদের দেশের ONESQA-এর উপর নির্ভরশীল না থেকে আসিয়ান ইউনিভার্সিটি নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যাণ্ডের শিক্ষার মানের সাথেও সমতা আনার জন্যে পাল্লা দিচ্ছে। তারা তাদের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় বিদেশি ছাত্র-ছাত্রী যারা আসিয়ানভুক্ত দেশ এবং চীন থেকে যাতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা আসে সে লক্ষ্যে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তাদের ভাবনা হচ্ছে যেহেতু তাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে নিম্নগতি সেহেতু আগামী দশ বছরে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিজস্ব ছাত্র-ছাত্রীরা কমে যাবে—এজন্যে এখন থেকেই বিদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা। এজন্যে তারা শিক্ষার মানকে আন্তর্জাতিক সমতা দিতে ইচ্ছুক। ধূরকিজ পণ্ডিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. সৌমবুনওয়ান সাতয়িরকিট জানান যে, চীন থেকে আন্ডার গ্রেইভ লেভেলে ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তির আগে বাবা-মা  বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করে ছাত্র-ছাত্রীরা কেমনভাবে থাকবে সেটা সরেজমিন দেখে যান। এজন্যে তারা সেখানে চীনা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে সে ধরনের আবহ তৈরি করেছেন। পরিবারের প্রধান শর্তই হচ্ছে সন্তান-সন্ততিরা যাতে নিরুদ্বেগ পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে। ধূরকিজ পণ্ডিত বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিটি যেন আধুনিকতা ও জ্ঞানের বিকাশের জন্যে নয়নাভিরাম। লাইব্রেরির নিচতলায় হালকা মেজাজের ব্যবস্থা যাতে অনিচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীরা বিনোদন আপ্যায়নের ব্যবস্থা রয়েছে। আরাম করে বসা থেকে শোয়ার ব্যবস্থা রয়েছে অথচ এটির উপরতলায় কোন শব্দ ছাড়াই নির্বিঘ্নে গবেষণা কর্ম করছে। আবার একটি তলা রয়েছে যেখানে কেবল ই-বুক রয়েছে। কিং মংকুট’স ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থোনবুড়ী বর্তমানে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি তাদের দেশের কান্ট্রি র‍্যাংকিং-এ ১ এবং বিশ্ব র‍্যাংকিং-এ ১৭ ছিল অথচ ২০১৪ সালে কান্ট্রি র‍্যাংকিং-এ ৫ এবং বিশ্ব র‍্যাংকিং-এ ৮০-তে পরিণত হয়েছে। আসলে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াস প্রয়োজন।উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন অবকাঠামোগত ও গবেষণা উন্নয়ন৷ মডার্ন মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, আধুনিক লাইব্রেরি, শিক্ষার্থীদের মানষিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া, গবেষণায় সর্বোচ্চ সহায়তা করা ইত্যাদি। আমাদের দেশে গবেষণার হার খুবই কম। এর অন্যতম কারন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গবেষণা উপযুক্ত নয়। যারাই এক্সট্রা অর্ডিনারী পারফরম্যান্স দেখাতে সচেষ্ট হয় তারা উপযুক্ত পরিবেশ না পেয়ে বিদেশে পাড়ি জমায়। ফলে দেশের মেধা পাচার হয়ে যাচ্ছে এবং দেশ মেধাশূন্য হওয়ার দিকে আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছে। এবং সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে দেশের নীতিনির্ধারকদের এ ব্যাপারে ন্যুনতম মাথাব্যাথা নেই।
এশিয়ার অন্যসব উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, ভারত যেভাবে তাদের উচ্চশিক্ষাখাতকে শিক্ষার্থীসূলভ করেছে তা থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। উচ্চশিক্ষাকে কার্যকরী করে গড়ে তোলার সময় এখনই। দেরী করলে দেশ শুধু অতল গহ্বরের দিকেই এগিয়ে যাবে। দেশের নীতিনির্ধারকদের এই মূহুর্তেই এদিকে নজর দেয়া উচিত।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

banner728x90

banner728x90




১৯৬১ সালের স্বেচ্ছামূলক সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ নম্বর ৪৬ এর ৪ (৩) ধারার অধীনে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রুরাল ইনহ্যন্সমেন্ট অর্গানাইজেশন( রিও) নিবন্ধন নং -সসেঅদ/ পটুয়া/ ৬৬৩ এর উন্নয়ন প্রকাশনা
কারিগরি সহায়তা: Next Tech