বিজ্ঞপ্তি:
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম:
গলাচিপায় পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহে প্লাষ্টিকের বেঞ্চ বিতরণ গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা লেবুখালী সেতুটি শহীদ আলাউদ্দিন সেতু নাম করনের দাবীতে কলাপাড়ায় মানববন্ধন ও সমাবেশ।। গলাচিপায় স্কুলের মাঠে গরুর হাট কলাপাড়ায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি’র দুইদিন ব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের দ্বার খুলছে কাল, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীরা কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ । করোনার সংকটময় মুহূর্তে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে “কলাপাড়া উপজেলা সমিতি,ঢাকা পিরোজপুরে নতুন এসপি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাইদুর রহমান পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার নগদ অর্থ পেলে ৬৭৫ টি পরিবার
আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
করোনায় ঝুঁকি নিয়ে মানবতার কাজে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশংসা কুড়িয়েছেন সবার

করোনায় ঝুঁকি নিয়ে মানবতার কাজে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশংসা কুড়িয়েছেন সবার

মো. সাইদুর রহমান কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃ-

‘পরের কারনে স্বার্থ দিয়া বলি
এ জীবন মন সকলি দাও
তার মত সুখ কোথাও কি আছে?
আপনার কথা ভুলিয়া যাও ‘
কবি কামিনী রায়ের এমন আহবানে মানবিক কাজে  নিজেকে সপে দিলেন পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার   নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের লতিফপুরে বসবাস করেন খাদেম আলী।  স্ত্রীকে নিয়ে মানবতার জীবনযাপন করছে তিনি। মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম বাসস্থান। বৃষ্টি এলে ঘরের চাল দিয়ে ঝুপঝুপ করে পানি পড়ে। টিন লাগাবার মতো সামার্থ্যও তাদের নেই। একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে মানবেতার জীবনযাপন করেন তিনি। দিনমজুরের কাজ করে দু’বেলা  খেয়ে দিন চলে যাচ্ছে এই পরিবারের। দিন দিন শারীরিক  অবস্থা খারাপ হওয়াতে এখন আর কাজে ডাকে না কেউ। বাম হাতের ব্যাথার চিকিৎসা করাতে পারছেন না টাকার অভাবে।বৃষ্টিতে মাথা গোছবার জায়গায় নেই। জীবনে দোচালা টিনের ঘরের যে স্বপ্ন দেখেছে খাদেম আলী তা আর পূরন করতে পারেনি।

এমন অভাবির প্রতি সহানুভুতীর হাত বাড়িয়ে এগিয়ে এলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পেলেন দোচালা টিনের ঘর।  শুধু ঘর নয় সাথে পেলেন রান্না ঘর। আনন্দে আত্মহার  খাদেম দম্পতি। খুঁজে পেল  নতুন স্বপ্নের ঠিকানা।

কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে বসবাস করেন অন্ধ পিয়ারা বেগম। স্বামী-সন্তান হারা এই পিয়ারা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন জরাজীর্ণ এক কুড়ে ঘরে। যে ঘরে সামান্য বৃষ্টিতে থাকার আর কোন উপায় থাকে না। তার স্বপ্ন ছিল ছোট্ট একটি টিনের ঘরের। যে ঘরে নিশ্চিন্তে- নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিতে পারবেন বাকি জীবন। এমন হত দরিদ্র পরিবারের প্রতিও বাড়িয়ে দিয়েছেন মানবিকতার হাত।

করোনাকালে নিজেকে সম্মুখে এগিয়ে রাখলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। সমস্যা সমাধানে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে ঘুরে দেখছেন। মাঠে থেকে করোনার বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছেন। উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে দফায় দফায় জনসচেতনতা কর্মসূচির পাশাপাশি মানবিক সহায়তার  দাঁড় উন্মোচন করছেন।     সরকারি নির্দেশনা মানতে ও মানাতে কখনো হয়েছেন কঠোর আবার মানবিক।স্থানীয় প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মানবিক সাহায্য যাতে সুষম বন্টন হয় সেটা নিশ্চিত করে চলেছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের খবরাখবর নিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আশ্রয় নিয়েছেন। কখনো আবার হত দরিদ্রদের তালিকা চেয়েও ফেসবুকে আবেদন জানিয়েছেন। দারিদ্র্যের আঘাতে কোন মানুষের কষ্ট যাতে নয় সে চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। করোনা থেকে রেহাই পেতে মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। সচেতন করতে নিয়েছেন নানা উদ্যো। করোনায় আক্রান্তদের সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন।  খাদ্য ও খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন দিনমজুর, রিকশা চালক, হোটেল মোটেল, শিল্পীগোষ্ঠী, সামাজিক সংগঠন,  বে সরকারি শিক্ষক ও প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন যায়গায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সমানভাবে মাঠে রয়েছেন সহকারী কমিশনার ( ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল।সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারীদের  বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার পাশাপাশি সরকারি মানবিক কাজে ছিল সরব উপস্থি।  এ দুই কর্মকর্তার চৌকস পরিচালনায় এখনো কলাপাড়ায় দুর্নাম হয়নি। কলাপাড়া উপজেলায় এ পর্যন্ত মোট ৪৮ টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এতে মোট ৩৮৫টি মামলা হয়েছে। ০৮ জনকে বিনাশ্রাম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।৩৩৭ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়ে। ভ্রাম্যমান আদালতের বেঞ্চ সহকারী উবাসোয়ে  জানান, মোট অর্থদন্ডের পরিমান ১০ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা।   কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, কলাপাড়া একটি উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের যায়গা। দেশের এমনকি বিদেশি লোকদের অবস্থান এখানে বেশি তাই নমনীয়তার পাশাপাশি কখনো কখনো কঠোর হওয়া দরকার ছিল ।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

banner728x90

banner728x90




১৯৬১ সালের স্বেচ্ছামূলক সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ নম্বর ৪৬ এর ৪ (৩) ধারার অধীনে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রুরাল ইনহ্যন্সমেন্ট অর্গানাইজেশন( রিও) নিবন্ধন নং -সসেঅদ/ পটুয়া/ ৬৬৩ এর উন্নয়ন প্রকাশনা
কারিগরি সহায়তা: Next Tech